Election Results 2019: ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন সম্পর্কে কয়েকটি অজানা তথ্য

ফেসবুকে শেয়ার করুন টুইট শেয়ার রেডিট কমেন্ট
Election Results 2019: ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন সম্পর্কে কয়েকটি অজানা তথ্য

ইভিএম থেকে এক মিনিটে পাঁচ জনের বেশি নাগরিক ভোট দিতে পারেন না

ভারতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম এর মাধ্যমে ভোটগণনা হয়। 1980 সাল থেকে 1990 সালের মধ্যে রাষ্ট্রায়াত্ব সংস্থা ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড প্রথম ইভিএম তৈরী করেছিল। এর পরে সুরক্ষিত ভোট নিশ্চিত করতে ক্রমাগত ইভিএম আপডেট করেছে নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি ব্যবহার শুরু হয়েছে ভোটার ভেরিফায়েড পেপার অডিট ট্রেল ইভিএম (VVPAT EVM)। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নির্বাচনে গোটা দেশে এই ইভিএম ব্যবহার হয়। আগে ভারতে ব্যালট পেপারে ভোট হতো। কিন্তু এই ব্যবস্থায় রিগিং করা সহজ ছিল। তবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহারের ফলে অনেকটাই সুরক্ষিত হয়েছে নির্বাচনী প্রক্রিয়া।

কোন ভাবেই ভাঙা সম্ভব নয় ইভিএম। সঠিক ও সুরক্ষিত নির্বাচন করতে ইভিএম এ  থাকে একগুচ্ছ সুরক্ষা স্তর।

ইভিএম কী? কীভাবে কাজ করে ইভিএম?

ইভিএম এর সম্পূর্ণ কথা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন। যে কোন ইভিএম এর দুটি অংশ থাকে। পাঁচ মিটার কেবেলের মাধ্যমে এই দুটি অংশ যুক্ত থাকে। পোলিং অফিসারের কাছে থাকে কন্ট্রোল ইউনিট। অন্যদিকে ব্যালটিং ইউনিটে নাগরিক ভোটদান করেন। প্রত্যেক নাগরিক ভোট দেওয়ার আগে পোলিং অফিসার কন্ট্রোল ইউনিটে ব্যালট বাটন টেপেন। এর পরে ব্যালটিং ইউনিট অ্যাক্টিভেট হয় ও নাগরিক ভোট দিতে পারেন।

Election Result 2019: স্মার্টফোন থেকেই বিভিন্ন খবরের চ্যানেল সরাসরি দেখবেন কীভাবে?

VVPAT EVM কী?

ভোটার ভেরিফায়েড পেপার অডিট ট্রেল ইভিএম বা VVPAT EVM এর মাধ্যমে 2019 সালের লোকসভা নির্বাচন প্রক্রিয়া চলেছে। ভোটারের অধিকার সুরক্ষিত করতে নতুন এই মেশিন নিয়ে এসেছে নির্বাচন কমিশন। এখানে ব্যালট বক্সে ইভিএম এর সাথেই অন্য একটি বেশিন থাকে। সেখানে আপনি যে প্রার্থীকে ভোট দিলেন তা দেখা যাবে। ভোট দেওয়ার পরে এই মেশিনে একটি ছোট কাগজে তা প্রিন্ট হয়ে জমা থাকবে। একটি স্বচ্ছ জায়গা থেকে মেশিনের ভিতরে এই কাগজ 7 সেকেন্ড ধরে দেখা যাবে। নিজের ভট সঠিক জায়গায় গেল কিনা তা নিশ্চিতভাবে জানার জন্যই এই ব্যবস্থা নিয়ে এসেছে নির্বাচন কমিশন।

ইভিএম ব্যবহারের সুবিধা কী?

ভোট প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন। ব্যালট পেপারে ভোট দিতে অনেকটা সময় লেগে যায়। এছাড়াও ব্যালট গুনতেও বেশি সময় লাগে। ইভিএম ব্যবহার হলে ভোট দান ও ভোট গ্রহন দুই জলদি শেষ করা যায়। এছাড়াও ভোটগ্রহনের খরচ অনেকটাই কমিয়ে দেয় ইভিএম।

ইভিএম ম্যানিপুলেশন করা সম্ভব?

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছেন ইভিএম ম্যানিপুলেশন করা সম্ভব নয়। যদিও এই কথা মানতে রাজি নয় রাজনৈতিক দলগুলি। ইভিএম হ্যাক করার জন্য ‘হ্যাকাথন' এর আয়োজন করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেখানে কেউ ইভিএম হ্যাক করতে পারেন নি।

ইভিএম এর কী সুরক্ষা ফিচার থাকে?

ইভিএম থেকে এক মিনিটে পাঁচ জনের বেশি নাগরিক ভোট দিতে পারেন না। এছাড়াও একটি মেশিনে 2,000 এর বেশি ভোটগ্রহণ সম্ভব নয়।

কোথায় তৈরী হয়েছে ইভিএম? কবে প্রথম শুরু হয় ব্যবহার?

ভারতে তৈরী হয়েছিল ইভিএম। 1982 সালে কেরালায় বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম ইভিএম ব্যবহার হয়েছিল।

ভোট গ্রহনের সময় ইভিএম খারাপ হলে কী হয়?

ভোটগ্রহণের সময় ইভিএম খারাপ হইয়ে গেলে নতুন ইভিএম ব্যবহার করা হয়। তবে পুরনো মেশিনে রেকর্ড থাকা ভোট সুরক্ষিত থাকে। নতুন মেশিন ইনস্টল হওয়ার পর থেকেই আবার ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

কমেন্ট

প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.

পড়ুন: English
 
 

বিজ্ঞাপন

 
© Copyright Red Pixels Ventures Limited 2019. All rights reserved.